সংক্ষিপ্ত নির্দেশ :: বিচিত্রা :: বৈদ্যুতিন রবীন্দ্র-রচনাসম্ভার :: স্কুল অব কালচারাল টেক্সটস অ্যাণ্ড রেকর্ডস, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় পাতার উপর দিকে দেখুন

বিচিত্রা: বৈদ্যুতিন রবীন্দ্র-রচনাসম্ভার

Bichitra: Online Tagore Variorum :: School of Cultural Texts and Records

विचित्रा: इलेक्ट्रॉनिक रवीन्द्ररचनावली :: स्कूल ऑफ कल्चरल टेक्स्टस एण्ड रेकॉर्डज़

 
 

সংক্ষিপ্ত নির্দেশ

কীবোর্ড

বাংলা হরফ ও যুক্তাক্ষর লিপ্যয়নের জন্য ‘অভ্র’ কীবোর্ড প্রণালী ব্যবহৃত হয়েছে। তবে ‘অভ্র’-র পদ্ধতি অনুসারে ইংরেজি হরফে বাংলা শব্দ লিখে তা বাংলায় রূপান্তরিত করা যায়। ওয়েবসাইটে যথাস্থানে তার নির্দেশ দেওয়া আছে।


প্রতিলিপি-পদ্ধতি


পাণ্ডুলিপির প্রতিলিপি ছবির ডান পাশে দেখা যাবে। পাণ্ডুলিপি ও মুদ্রিত পাঠ, উভয়ের প্রতিলিপি ‘রচনাসূচী: সম্পূর্ণ তালিকা’ অথবা ‘পাঠান্তর’ অংশের সারণিতে
 
চিত্রচিহ্নে ক্লিক করলে দেখা যাবে।
সারণিতে পাঠের পাশে
 
বা
 
চিত্রচিহ্ন না থাকলে বুঝতে হবে, সেই পাঠ বা সংস্করণটি পাওয়া যায়নি।
মূল পাঠের কিছু-কিছু অনুষঙ্গ মাঝে-মাঝে সমীকৃত করা হয়েছে, যেমন কবিতার স্তবক, গদ্যের অনুচ্ছেদ বা নাটকে দুটি সংলাপের মধ্যেকার ফাঁকের ক্ষেত্রে। মুদ্রণপ্রমাদ সচরাচর রক্ষিত হয়েছে।

পাণ্ডুলিপির প্রতিলিপি দুইভাবে পেশ করা হয়েছে:

১। সমগ্র পাণ্ডুলিপির একটানা প্রতিলিপি। এই প্রতিলিপিতে বর্জন-সংযোজন ইত্যাদি বোঝাতে নিম্নের চিহ্নগুলি ব্যবহৃত হয়েছে।
২। কোনও বিশেষ রচনার ক্ষেত্রে, ওই পাণ্ডুলিপি থেকে ‘ফিলটার সফটওয়ারের’ সাহায্যে প্রাপ্ত চূড়ান্ত পাঠের প্রতিলিপি।

প্রতিলিপিতে কোনও অংশের আগে একটি বা দুটি তারাচিহ্ন থাকার অর্থ, তার সংলগ্ন পৃষ্ঠা-সংখ্যা, মন্তব্য, টীকা, ইত্যাদি প্রতিলিপিকরণের সময়ে বসানো হয়েছে; এগুলি মূল পাঠের অংশ নয়।

পাণ্ডুলিপির প্রতিলিপিতে ব্যবহৃত চিহ্ন
চিহ্নব্যবহার/টীকা
<পাঠ>বর্জিত পাঠ
{পাঠ}সংযোজিত পাঠ
+++পাঠোদ্ধার করা যায়নি
±পাঠ±পাঠের অবস্থান অনিশ্চিত
৲পাঠ৩৲ পাঠ২ পাঠ২ পাঠ২ পাঠ২ পাঠ২ ৴পাঠ১৴স্থানান্তরিত পাঠ
[\পাঠ\]নিম্নরেখিত পাঠ
⋋১ম পাঠরূপ⋋ ⋌২য় পাঠরূপ⋌এক সঙ্গে একই রচনাংশের দুটি পাঠরূপ
≮পাঠ≯stet: বর্জিত পাঠের পুনর্গ্রহণ
[~  ] অথবা [~]মার্জিনে কোনও টীকা, মন্তব্য, নির্দেশ প্রভৃতি থাকলে সেটি [~ ] চিহ্নের মধ্যে বসানো হয়েছে। মূল পাঠের যে অংশের পাশে সেটি বসানো আছে, পাঠের সেই অংশের গোড়ায় ও শেষে [~] চিহ্ন বসানো হয়েছে।
<⋏⋏> অথবা {⋏পাঠ⋏} অথবা <⋎⋎> অথবা {⋎পাঠ⋎}রেখা, তীরচিহ্ন বা তারাচিহ্নের সাহায্যে কোনও ছোট পাঠ্যাংশ বাক্য/বাক্যাংশের) স্থানান্তর ঘটলে:
বাক্য/বাক্যাংশ নীচ থেকে উপরে উঠে এলে এই চিহ্ন:
  1. যেখান থেকে বাক্য/বাক্যাংশ উপরে উঠে গেছে
    <⋏⋏>
  2. উপরে যেখানে বাক্য/বাক্যাংশ স্থানান্তরিত হচ্ছে
    {⋏[বাক্য/বাক্যাংশ]⋏}
বাক্য/বাক্যাংশ উপর থেকে নীচে নেমে এলে এই চিহ্ন:
  1. যেখান থেকে বাক্য/বাক্যাংশ নীচে নেমে গেছে
    <⋎⋎>
  2. নীচে যেখানে বাক্য/বাক্যাংশ স্থানান্তরিত হচ্ছে
    {⋎[বাক্য/বাক্যাংশ]⋎}
নতুন অবস্থানে {⋏⋏} বা {⋎⋎} বন্ধনীর মধ্যে পাঠ্যাংশটি থাকবে; আদি অবস্থানে কেবল < > বন্ধনী থাকবে। একই পৃষ্ঠায় স্থানান্তরের একাধিক দৃষ্টান্ত থাকলে সেগুলি <⋏1⋏>, <⋏2⋏>, <⋏3⋏> হিসাবে চিহ্নিত হবে।
অথবাকোনও বড় অংশ বা স্তবক নীচ থেকে উপরে উঠে এলে, যেখানে স্থানান্তরিত হচ্ছে সেখানে এই চিহ্ন: ⋀ কোনও বড় অংশ বা স্তবক উপর থেকে নীচে নেমে গেলে, যেখানে স্থানান্তরিত হচ্ছে সেখানে এই চিহ্ন: ⋁
এই সব ক্ষেত্রে, পাঠের আদি অবস্থানে কোনও চিহ্ন বসানো হয়নি।
মূল পাণ্ডুলিপিতে ∟, খাড়া দাগ ইত্যাদি চিহ্ন দিয়ে স্তবক বা অনুচ্ছেদ ভাঙার ইঙ্গিত থাকলে, প্রতিলিপিতে পরের অংশটি নতুন স্তবক বা অনুচ্ছেদে বসানো হয়েছে, আগে ∟ চিহ্ন দিয়ে।

সংগ্রহ: পাণ্ডুলিপি

পাণ্ডুলিপিগুলি চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত:
  1. RBVBMS: রবীন্দ্রভবনের মূল পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ
  2. BMSF: রবীন্দ্রভবনের ‘বাংলা পাণ্ডুলিপি ফাইল’ (Bengali Manuscript Files) সংগ্রহ
  3. EMSF: রবীন্দ্রভবনের ‘ইংরেজি পাণ্ডুলিপি ফাইল’ (English Manuscript Files) সংগ্রহ
  4. HRVD: হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হুটন গ্রন্থাগারের রোথেনস্টাইন সংগ্রহ
উভয় গ্রন্থাগারের মূল পঞ্জীসংখ্যা রক্ষিত হয়েছে।

পাণ্ডুলিপি ও প্রতিলিপি দুইভাবে দেখা যায়:

পাণ্ডুলিপি-সূচী

১। পাণ্ডুলিপি-সূচী ক্লিক করুন। সব পাণ্ডুলিপি ও তাদের অন্তর্ভুক্ত রচনার তালিকা-সম্বলিত একটি সারণি খুলে যাবে।

শিরোনাম-সূচী

এই সূচীর সাহায্যে পাণ্ডুলিপির অন্তর্ভুক্ত সব রচনার হদিশ পাওয়া যাবে।

১। আপনার অভীষ্ট রচনার শিরোনাম বাছুন: হয় বর্ণানুক্রমিক মেনুতে ক্লিক করে, অথবা বাঁদিকের ‘অন্বেষণ’-এর ঘরে শিরোনামটি লিখে।
২। শিরোনামের বিবরণসূচী পেয়ে গেলে, অভীষ্ট পাণ্ডুলিপি-সংখ্যায় ক্লিক করে সেই পাণ্ডুলিপিতে ওই রচনার ছবি ও প্রতিলিপি দেখুন। সঞ্চালনের উপায় ও শর্টকাটের জন্য উপরে দেখুন।

 

সংগ্রহ: পুস্তক ও পত্রিকা-পাঠ

ওয়েবসাইটে অভীষ্ট রচনাশ্রেণীর পাতায় পৌঁছে, তারপর বর্ণানুক্রমিক সারণিতে ক্লিক করে অথবা পাতার বাঁদিকে ‘অন্বেষণ’ চিহ্নিত ঘরে শিরোনাম টাইপ করে, আপনার অভীষ্ট রচনা ও পাঠ বাছুন। সেই পাঠের শিরোনামে ক্লিক করে তার ছবি দেখুন।

এই পাতা ও সারণি মূলত সম্পূর্ণ পুস্তকাকারে প্রকাশিত পাঠ দেখার জন্য। কোনও ছোট রচনা দেখতে গেলে ‘রচনাসূচী’ অংশের সারণি মারফৎ দেখাই ভালো। সেখানে রচনাটি সম্বন্ধে কিছু বাড়তি তথ্যও পাওয়া যাবে।

দ্র: আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে কিছু কারণে, রবীন্দ্র-ভবন থেকে শেষ এক দফা মুদ্রিত পুস্তক ও পত্রিকার পাঠ পাওয়া যায়নি। অন্যান্য সহযোগীদের আনুকূল্যে, তার কিছু-কিছু অন্য সূত্র থেকে পাওয়া গিয়েছে, কিন্তু কিছু ফাঁক পূরণ করা যায়নি।

 

রচনা-সূচী

মেনু বার থেকে প্রথমে ভাষা বাছুন (বাংলা বা ইংরেজি), তারপর আপনার অভীষ্ট রচনাশ্রেণী (কবিতা ও গান, নাটক ইত্যাদি)। প্রত্যেক শ্রেণীর রচনা-সূচী দুই ভাবে পরিবেশিত হয়েছে:

(ক) বর্ণানুক্রমিক ভাগ

১। এখানে দুই উপায়ে আপনার লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেন:
ক। প্রথম পাতা থেকে আপনার প্রয়োজনীয় অক্ষরটি বেছে ক্লিক করে সেই আদ্যাক্ষরের শিরোনাম-সারণি খুলুন। তারপর  থেকে অভীষ্ট রচনার শিরোনাম ক্লিক করলে, সেই রচনার সম্পূর্ণ গ্রন্থ-পরিচয় একটি পপ-আপ জানলায় দেখা যাবে।
খ। ‘অন্বেষণ’-এর ঘরে আপনার অভীষ্ট রচনার শিরোনাম টাইপ ও ক্লিক করে শিরোনাম-সারণি খুলুন, তারপর অভীষ্ট রচনার শিরোনাম ক্লিক করুন।
২। কবিতা ও গানের তালিকা প্রথমে শিরোনাম অনুসারে দেখা যাবে। বাঁদিকের রেডিও-বাটন ব্যবহার করে (ক) প্রথম ছত্র অনুসারে, বা (খ) রচনাবলী-র ক্রম অনুসারে দেখতে পাবেন। প্রবন্ধের ক্ষেত্রে রেডিও-বাটন ব্যবহার করে রচনাবলী-র ক্রম অনুসারে দেখতে পাবেন।
৪। গ্রন্থ-পরিচয়ের পপ-আপ জানলায় কোনো পাঠের নির্দেশ কালোয় লেখা থাকলে বুঝতে হবে, সেই পাঠটি ওয়েবসাইটে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। লালে লেখার অর্থ, সেটি পাওয়া যায়নি।

 

(খ) সম্পূর্ণ তালিকা

এই ভাগে ওই শ্রেণীর সব রচনার বিবরণ একটি সারণিতে দেখা যাবে। সারণির বিভিন্ন ঘরে এই চিহ্নগুলি ব্যবহার হয়েছে: কোনও রচনার গ্রন্থ-পরিচয় ও পাঠ-প্রতিলিপি দেখতে ‘বর্ণানুক্রমিক ভাগ’ দেখুন। সম্পূর্ণ তথ্য পেতে ‘সম্পূর্ণ তালিকা’ দেখুন।

(গ) অন্যান্য সূচী

বাংলা রচনাসূচীর প্রত্যেক শ্রেণীর একটি তৃতীয় ভাগ আছে, ‘অন্যান্য সূচী’। মূল রচনাসূচীতে সব রচনা বিশ্বভারতী রচনাবলীতে দৃষ্ট শিরোনাম অনুসারে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

কোনো রচনার বিকল্প বা অতিরিক্ত শিরোনাম থাকলে (যেমন ‘দূর হতে কী শুনিস’ কবিতার শিরোনাম ‘ঝড়ের খেয়া’, বা ‘হে মোর চিত্ত’ কবিতার শিরোনাম ‘ভারত-তীর্থ’), সেটি এই তালিকার সাহায্যে দেখা যেতে পারে।

পি.সি-তে CTL+F বা ম্যাক-এ CMD+F টিপুন। তাতে যে বাক্সটি খুলে যাবে, তাতে যে বিকল্প শিরোনাম আপনি খুঁজছেন সেটি লিখে দিলে, সেই শিরোনামটি নির্দিষ্ট হবে।

বাংলা 'গল্প ও উপন্যাস'-এর ক্ষেত্রে ছোট গল্পের সংকলনগুলির একটি পূর্ণাঙ্গ সূচীও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

(ঘ) কালানুক্রমিক সূচী

বাংলা রচনাসূচীতে পত্রিকায় প্রকাশিত রচনার (মাস ও সাল অনুসারে) বা স্বতন্ত্র গ্রন্থের (সাল অনুসারে) প্রকাশের কালানুক্রমিক সূচী দেখা যাবে। এই সূচীটি দুই ভাবে দেখা যাবে।

  দ্র: আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে কিছু কারণে, রবীন্দ্র-ভবন থেকে শেষ এক দফা মুদ্রিত পুস্তক ও পত্রিকার পাঠ পাওয়া যায়নি। অন্যান্য সহযোগীদের আনুকূল্যে, তার কিছু-কিছু অন্য সূত্র থেকে পাওয়া গিয়েছে, কিন্তু কিছু ফাঁক পূরণ করা যায়নি।

 

অন্বেষণ

ব্যবহারবিধি

১। যে শ্রেণীর রচনায় খুঁজতে চান (সমগ্র রচনা, কবিতা ও গান, নাটক ইত্যাদি), সেটি ড্রপ-ডাউন মেনু থেকে বাছুন।
২। এই অংশের প্রথম পাতায় নির্দিষ্ট ঘরে আপনার প্রয়োজনীয় শব্দ বা বাক্যাংশ টাইপ করুন। বাংলা শব্দের ক্ষেত্রে হয় বাংলায় টাইপ করুন, নয়তো ইংরেজি অক্ষরে টাইপ করে Enter বা স্পেস বার টিপুন। ইংরেজি শব্দের ক্ষেত্রে প্রথমে CTL+M টিপে তারপর টাইপ করুন।
৩। ওই শব্দ বা বাক্যাংশ সম্বলিত সব পাঠ্যাংশ সূত্র সমেত দেখা যাবে, এক-এক বার ১০টি করে। কোনও শিরোনামে ক্লিক করলে, সেই রচনার সম্পূর্ণ পাঠ একটি নতুন জানলায় দেখা যাবে।
৪। এবার পি-সির ক্ষেত্রে CTL+F ও ম্যাক-এর ক্ষেত্রে CMD+F টিপে উপরে ডান দিকে যে ঘর খুলে যাবে, সেখানে শব্দ বা বাক্যাংশটি উপরের পদ্ধতি অনুসারে টাইপ করুন। শব্দ বা বাক্যাংশটি রচনার সম্পূর্ণ পাঠের মধ্যে রঙিন হয়ে চিহ্নিত অর্থাৎ ‘হাইলাইটেড’ হবে। (বাংলা শব্দের ক্ষেত্রে হয় বাংলা অক্ষরে টাইপ করুন, নয় আগের পাতা থেকে ‘কাট-অ্যাণ্ড-পেস্ট’ পদ্ধতিতে বসান। রোমান অর্থাৎ ইংরেজি হরফে টাইপ করবেন না। বাংলা রচনাবলীতে ইংরেজি শব্দ খুঁজতে গেলে প্রথমে CTL+M টিপে তারপর টাইপ করুন। ইংরেজি রচনার ক্ষেত্রে সোজা ইংরেজি হরফে টাইপ করুন।)

 

পাঠান্তর

ত্রিস্তর পাঠান্তর-নির্ণয়

আমাদের পাঠান্তর-নির্ণয় সফটওয়ার ‘প্রভেদ’ তিন স্তরে পাঠান্তর নির্ণয় করে: অংশ (section) ও উপাংশ (segment) সম্বলিত বৃহৎ বা gross collation, এবং শব্দের স্তরে সূক্ষ্ম বা fine collation.

    দ্র: প্রভেদ প্রয়োগের জন্য যেভাবে একটি দীর্ঘ রচনা ভাগ করতে হয়, তাতে মাঝে-মাঝে একই অংশের বিভিন্ন ভাগের মধ্যে এক লাইন ফাঁক থাকলে (যথা, গদ্যরচনার মধ্যে অবস্থিত কোনও কবিতার বিভিন্ন স্তবকের মধ্যে) প্রত্যেকটি ভাগ একটি আলাদা অংশ হিসাবে গণ্য হতে পারে।

     স্তবকে বিভক্ত নয় এমন ছোট কবিতা বা গান একটি উপাংশ হিসাবেই দেখানো হবে, অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে অংশ ও উপাংশ একই হবে।

অংশ-স্তরে পাঠান্তর

১। অংশ-স্তরের পাঠান্তর দেখানো হবে কতগুলি রঙিন ডোরার মাধ্যমে। এক-একটি ডোরা রচনার এক-একটি পাঠ বা সংস্করণ বোঝাচ্ছে। প্রত্যেক ডোরা একটি আলাদা রঙের।

এক-একটি ডোরার ছোট-ছোট ভাগগুলি বোঝাচ্ছে সেই পাঠ বা সংস্করণের এক-একটি অংশ (পরিচ্ছেদ, দৃশ্য, সর্গ ইত্যাদি)। দেখার সুবিধার জন্য এই ভাগগুলির মধ্যে গাঢ় ও হালকা রঙের পার্থক্য রয়েছে। আয়তনের অনুপাতে ভাগগুলি চওড়া বা সরু।
একটি ছোট কবিতা, গান বা প্রবন্ধ, যার মধ্যে কোনও অংশের ভাগ নেই, সবটাই একটিমাত্র অংশ হিসাবে দেখানো হবে: অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ডোরাটিতে কোনও গাঢ়-হালকা ভাগ থাকবে না, সবটাই এক রঙে দেখা যাবে।
অংশগুলির ক্রমিক সংখ্যা ০ থেকে শুরু। অর্থাৎ 1316/0 বোঝাচ্ছে ১৩১৬র সংস্করণের প্রথম অংশ। 1316/1 বোঝাচ্ছে ১৩১৬ সংস্করণের দ্বিতীয় অংশ।
২। যে পাঠটি ভিত্তি-পাঠ (base text) হিসাবে ধরে অন্যগুলির সঙ্গে তুলনা করতে চান, সেটির সূচক ডোরার উপর মাউস নিয়ে যান। সেই ডোরাটি বিশেষ ভাবে চিহ্নিত (highlighted) হবে।
৩। এবার যে অংশটির তুলনা করতে চান, ওই ডোরায় সেই অংশের সূচক ভাগটি ক্লিক করুন। অন্যান্য পাঠে অর্থাৎ ডোরাগুলিতে তার সঙ্গে মিলে-যাওয়া অংশগুলির নীচে লাল দাগ দেখা যাবে। অংশ-সংখ্যা দেখা যাবে উপরে ডান দিকের কোনে।
৪। পাতার নীচে মিলে-যাওয়া অংশগুলির একটি তুলনামূলক উল্লেখ দেখা যাবে। তাতে ভিত্তি-পাঠ ও অন্যান্য পাঠের মিল-অমিলের শতাংশের হিসাব দেওয়া থাকবে। প্রত্যেক পাঠের সঙ্গে একটি চিত্রচিহ্ন থাকবে। সেটি ক্লিক করলে ওই পাণ্ডুলিপি বা সংস্করণে সেই অংশের পাঠ ‘পপ-আপ’ হিসাবে দেখা যাবে।
৫। নীচের এই তালিকার বাঁদিকে ভিত্তি-পাঠ সংখ্যায় ক্লিক করলে সেই ভিত্তি-পাঠ অবলম্বনে উপাংশ মেলাবার জানালা খুলে যাবে।
৬। নীচে অন্য কোনও পাঠে ক্লিক করলে ডান দিকে একটি ঘর খুলে যাবে, যাতে ভিত্তি-পাঠ এবং এই নির্বাচিত পাঠ দুটির উপাংশগুলির মিল-অমিল রং মিলিয়ে দেখানো হবে। মিলে-যাওয়া উপাংশগুলি ছাই-রঙের ডোরা দিয়ে যুক্ত থাকবে।

৭। উপরে ডান দিকে Grid View ঘরে ক্লিক করলে পাঠান্তর-নির্ণয়ের ফল একটি সারণির আকারে দেখা যাবে।

উপাংশ-স্তরে পাঠান্তর

১। উপাংশ-স্তরে পাঠান্তরে মোটামুটি অংশ-স্তরে পাঠান্তরের মত করেই দেখা যাবে।
২। উপরের ৫ নম্বর নির্দেশমত উপাংশ স্থরের পাতাটি খুলুন। আপনার পূর্বনির্বাচিত ভিত্তি-পাঠের নির্বাচিত অংশ বোঝাতে একটি রঙিন ডোরা দেখতে পাবেন। তাতে ক্লিক করলে আরও কতগুলি রঙিন ডোরা দেখবেন, যা অন্যান্য পাঠ বা সংস্করণে মিলে-যাওয়া অংশটি বোঝাচ্ছে।

এক-একটি ডোরার ছোট-ছোট ভাগগুলি বোঝাচ্ছে সেই পাঠ বা সংস্করণে ওই অংশের এক-একটি উপাংশ (অনুচ্ছেদ, উক্তি, স্তবক ইত্যাদি)। সম্পূর্ণ রচনার মধ্যে ওই উপাংশের আয়তনের অনুপাতে ভাগগুলি চওড়া বা সরু।
৩। এবার ভিত্তি-পাঠ নির্ধারক উপরের ডোরার যে উপাংশটি আপনি মেলাতে চান, সেটির নির্ধারক রঙিন ভাগে ক্লিক করুন। অন্যান্য পাঠে অর্থাৎ ডোরাগুলিতে তার সঙ্গে মিলে-যাওয়া উপাংশগুলির নীচে লাল দাগ দেখা যাবে। উপাংশ-সংখ্যা দেখা যাবে উপরে ডান দিকের মার্জিনে।
৪। পাতার নীচে মিলে-যাওয়া উপাংশগুলির একটি তুলনামূলক উল্লেখ দেখা যাবে। তাতে ভিত্তি-পাঠ ও অন্যান্য পাঠের মিল-অমিলের শতাংশের হিসাব দেওয়া থাকবে। প্রত্যেক পাঠের সঙ্গে একটি চিত্রচিহ্ন থাকবে। সেটি ক্লিক করলে ওই পাণ্ডুলিপি বা সংস্করণে সেই উপাংশের পাঠ ‘পপ-আপ’ হিসাবে দেখা যাবে।
৫। আপনার অভীষ্ট উপাংশে পৌঁছতে উপরে ডান দিকে তীরচিহ্নের সাহায্য নিন।
৬। উপরে ডান দিকে Grid view-এ ক্লিক করলে মিল-অমিলের শতাংশভিত্তিক হিসাব সারণির আকারে দেখতে পাবেন।

৭। নীচের তালিকার বাঁদিকে ভিত্তি-পাঠে ক্লিক করলে সেই ভিত্তি-পাঠ অবলম্বনে এই উপাংশের প্রতিটি শব্দ মিলিয়ে ‘সূক্ষ্ম পাঠান্তর’ (fine collation) মেলাবার জানালা খুলে যাবে।

শব্দ-স্তরে ‘সূক্ষ্ম পাঠান্তর’

১। নির্বাচিত উপাংশের শব্দ-স্তরে পাঠান্তর দেখানো হবে চার ভাগে ভাগ করা একটি পাতায়। পাতার মাথায় ওই অংশ ও উপাংশের সংখ্যা দেখা যাবে। তার সঙ্গে অন্য যে পাঠ বা সংস্করণগুলি মেলানো হচ্ছে, সেগুলির অংশ ও উপাংশের সংখ্যা উপরে বাঁদিকে একটি সারণিতে দেখা যাবে।
২। উপরের বাঁদিকের ভাগে ভিত্তি-পাঠে ওই উপাংশের পাঠ দেখা যাবে।
৩। নীচের বাঁদিকের ভাগে আপনার নির্বাচিত অন্য যে-কোনও পাঠ বা সংস্করণে সমতুল্য উপাংশের পাঠ দেখা যাবে। সেটি বাছতে উপরে বাঁদিকের সারণিতে ওই পাঠ বা সংস্করণ-সংখ্যায় ক্লিক করুন।
৪। উপরের ডানদিকের ভাগে ভিত্তি-পাঠে ওই উপাংশের পাঠ আবার দেখা যাবে। তাতে মিল-অমিল বোঝাতে চারটি রঙ ব্যবহার করা হয়েছে:

৫। বিন্দুর অর্থ, ওই স্থানে বর্তমান পাঠে কোনও শব্দ নেই কিন্তু অন্য এক বা একাধিক পাঠে আছে।